| শাসন কাল | শাসক | দেশের সীমা |
|---|---|---|
| ৪০০ খ্রি.পূ. | ঔগ্রসৈন্য (নন্দনবংশের রাজা উগ্রসেনের পুত্র) | (গঙ্গা ও প্রাচ্য) |
| ৪০০ খ্রি.পূ. | মহারাজা চন্দ্রবর্মন | পুস্করন (বাঁকুড়া থেকে ফরিদপুর-পশ্চিম ও দক্ষিণ বঙ্গ) |
| ৪০০ খ্রি.পূ. | গুপ্ত বংশের রাজা | গুপ্ত অধিকারে বাংলা মোটামুটি দুইটি ভুক্তিতে বিভক্ত ছিল। পুন্ড্রবর্ধনভুক্তি ও বর্ধমানভুক্তি (বর্তমানের উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গ) |
| ৫০৭-৫০৮ খ্রিষ্টাব্দ | মহারাজাধিরাজ বৈন্যগুপ্ত | পূর্ববঙ্গ |
| ৫৪০-৫৮০ | গোপচন্দ্র | বঙ্গ |
| ৫৮০-৬০০ | সমাচার দেব | বঙ্গ |
| ৬০৬-৬২৫ | শ্রীমহাসামন্ত শশাঙ্ক[২] | গৌড়, দক্ষিণে গঞ্জাম ও উত্তরে কান্যকুব্জ পর্যন্ত |
| ৬২৫ | জয়নাগ | কর্ণসুবর্ণ |
| ৬৩৮-৬৪২ | অজানা[৩] | |
| ৬২৫-৭০৫ | খড়গ রাজবংশ[৪] খড়েগাদ্যম জাত খড়গ দেবখড়গ রাজারাজভট | বঙ্গ, সমতট |
খ্রিস্টীয় ছয় শতকের শেষের দিকে পরবর্তী গুপ্ত রাজাদের অধীনে পশ্চিম ও পূর্ব বাংলার অংশ বিশেষে গৌড় রাজ্যের উদ্ভব হয়। সাত শতকের প্রথম দিকে শশাঙ্ক গৌড়ে ক্ষমতা দখল করেন। মগধ তার রাজ্যের অংশ ছিল। এ বিষয়ে তেমন কোনো বিরোধ নেই যে, তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজা। বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কই প্রথম যিনি বাংলার বাইরে উত্তর ভারতে প্রাধান্য বিস্তারকল্পে আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। এদিক থেকে তিনি পরবর্তীকালের পাল বংশীয় রাজা ধর্মপাল ও দেবপাল-এর আক্রমণাত্মক উত্তর ভারতীয় নীতির অগ্রদূত। কর্ণসুবর্ণ ছিল তার রাজ্যের রাজধানী।